“হাতির চলাচলের পথ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন জোন চিহ্নিত করতে হবে”
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, হাতির চলাচলের পথ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন জোন চিহ্নিত করতে হবে। কোরিয়ান ইপিজেড, বন বিভাগ, আইইউসিএন, জেলা প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে কাজ করবে। আরও ৫টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম গঠন করা হবে, যাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের কেইপিজেড এলাকায় হাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা করা হচ্ছে,এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন’।
উপদেষ্টা আজ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন। এই সভায় চট্টগ্রামের কেইপিজেড ও আশপাশের এলাকায় হাতির সুরক্ষা এবং মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে বিশেষজ্ঞ কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, হাতির চলাচলের পথ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন জোন চিহ্নিত করতে হবে। কোরিয়ান ইপিজেড, বন বিভাগ, আইইউসিএন, জেলা প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে কাজ করবে। আরও ৫টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম গঠন করা হবে, যাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
অপরদিকে, রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘বাংলাদেশ-আমেরিকা মৈত্রী প্রকল্পে প্রথম অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ উপদেষ্টা নারীর ক্ষমতায়নসহ নাগরিকদের খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিশু অধিকার প্রভৃতির উন্নয়নে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিশু অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উন্নয়নে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে কাজ করতে হবে। সবাইকে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে আসতে হবে’।
আরও পড়ুনঃ “সোশ্যাল মিডিয়া-আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার চলছে”





